ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম জয় পেলো দ. আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ৩৭৬ রানের টার্গেটে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল ইংল্যান্ড। হাতে ছিল আরও একটা দিন। কিন্তু কাগিসো রাবাদা-এনরিখ নতশের তোপের সামনে লাঞ্চের পর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারলো না সফরকারীরা। ২৬৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে ১০৭ রানের হার বরণ করেছে জো রুটের দল।

প্রথম ইনিংসে ১৮১ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা প্রোটিয়ারা প্রথম ইনিংসে করে ২৮৪ রান। ফাফ ডু প্লেসিসের দল দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭২ রান করে লক্ষ্য নেয় ৩৭৬ রানের।

সেঞ্চু'রিয়নে রোববার (২৯ ডিসেম্বর) ১ উইকে'টে ১২১ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে ইংলিশরা। দিনের শুরুতে প্রোটিয়াদের আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দেন নতশে। আগের দিনের ৭৭ রানের সঙ্গে আর ৭ রান যোগ করতেই ব্যক্তিগত ৮৪ রানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার রোরি বার্নস।

এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন জো ডেনলি ও রুট। প্রিটোরিয়সের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ডেনলি ফিরলে ফের চাপে পড়ে সফরকারীরা। তবে ইংল্যান্ড বিপর্যয়ে পড়ে লাঞ্চ থেকে ফেরার পর।

দলের দুঃসময়ে কেশব মহারেজের বলে বেন স্টোকস বোল্ড হন ব্যক্তিগত ১৪ রানে। এর পরপরই ফেরেন জনি বেয়ারস্টো (৯)। সতীর্থদের যাওয়া আসার মাঝে ল'ড়াই করছিলেন রুট। কিন্তু ইংলিশ অধিনায়ক ফিফটি থেকে ২ রান দূরে রাখতে দলীয় ২৩২ রানে নতশের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন।

এরপর দলকে ল'ড়াইয়ে রাখতে চেষ্টা করেছিলেন জশ বাটলার। কিন্তু ইংলিশ উইকেটরক্ষককে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। রাবাদা-নতশের তোপে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন স্যাম কারেন (৯), জোফরা আর্চার (৪), স্টুয়ার্ট ব্রড ৬)। কোনো বলের মোকাবেলা না করে অ'পরাজিত ছিলেন জিমি অ্যান্ডারসন। তার আগে ব্যক্তিগত ২২ রানে ফেরেন বাটলার।

প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন রাবাদা। নতশের শিকার ৩টি। তবে প্রথম ইনিংসে ৯৫ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪ রান নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক।

প্রথম ম্যাচ জয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চার টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো প্রোটিয়ারা। সেই সঙ্গে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম জয়ের স্বাধ পেলো স্বাগতিকরা। ৪ ম্যাচে ১ জয় ও ৩ পরাজয়ে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার সপ্তম স্থানে আছে দ. আফ্রিকা।

Back to top button